চলতি শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে জনগণের বোধ-বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় স্বার্থকে উপেক্ষা করে সাম্প্রদায়িক উসকানি, তথ্য ও ইতিহাস বিকৃতি, বিতর্কিত এবং অবৈজ্ঞানিক মানব সৃষ্টিতত্ত্ব অনুপ্রবেশ, ট্রান্সজেন্ডার টার্ম, পৌত্তলিক ও ব্রাহ্মণ্যবাদী সংস্কৃতির আধিপত্য, প্লেজারিজম এবং ধর্ম ও জাতিসত্বাবিরোধী বিষয়বস্তু বাতিল, ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে থানায় থানায় বিক্ষোভ মিছিল করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি সারা দেশের থানায় থানায় বিক্ষোভ মিছিল হবে। আজ রোববার সংগঠনের মজলিসে আমেলার জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, কৃষিবিদ আফতাব উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম আতিকুর রহমানসহ অনেকে।
সভায় মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক একে অপরের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এ অঞ্চলের হাজার বছরের চর্চিত সংস্কৃতি। প্রত্যেক ধর্মেরই আলাদা আলাদা রীতি-নীতি ও সংস্কৃতি রয়েছে। কিন্তু ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে যা লেখা হয়েছে তা ভিত্তিহীন।
‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, ধর্মীয় সম্প্রীতি শেখানোর জন্য সবার ধর্ম ও বিশ্বাস বিনষ্ট করার কোনো অর্থ হয় না। বরং যার যার ধর্ম ও বিশ্বাস যথাযথ জায়গায় রেখেই ধর্মীয় সম্প্রতি রক্ষা করা যায়। যার উদাহারণ আমরা বাঙালিরা হাজার বছর ধরে প্রদর্শন করে আসছি। ফলে এই ধরনের বিষয় পাঠ্যসূচি থেকে বাদ দিতে হবে।’