গত বুধবার (১৬) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) জানিয়েছে এভাবে যুদ্ধ চলতে থাকলে দারিদ্র্যের কবলে পড়তে পারে ইউক্রেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়।
ইউএনডিপির প্রশাসক আসি স্তাইনের জানান, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক হামলার কারণে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইউএনডিপি কাজ করছে বলে জানান তিনি। ইউক্রেনে সাধারণ জনগণকে খাদ্যসহায়তার জন্য অর্থ প্রদান এবং মৌলিক পরিষেবা গুলো নিশ্চিত করে তাদের দেশ ছেড়ে পালানো থেকে বিরত রাখাই তাদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, সংঘাত যদি দীর্ঘ হয়, তাহলে দারিদ্রের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে দেখবো আমরা।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্তাইনের বলেন, স্পষ্টতই এই দৃশ্যকল্পের চরম সমাপ্তি হল সামগ্রিকভাবে অর্থনীতির বড় পতন। এটি শেষ পর্যন্ত ৯০ শতাংশ লোককে দারিদ্র্যসীমার নিচে বা সেখানে যাওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। দারিদ্র্যসীমার সাধারণত সংজ্ঞায়িত হয় জনপ্রতি দৈনিক ক্রয়ক্ষমতা সাড়ে ৫ ডলার থেকে ১৩ ডলারের মধ্যে। ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার আক্রমণ শুরুর আগে আনুমানিক মাত্র ২ শতাংশ ইউক্রেনীয়র দৈনিক ক্রয়ক্ষমতা ছিল সাড়ে ৫ ডলারের নিচে।
তিনি আরও বলেন, ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে ইউক্রেনের ১৮ বছরের উন্নয়নের যে অগ্রগতি তা মুছে যেতে পারে বলে আমাদের অনুমান।