বাবা তুমি আমার যত খুশির কারন
বলো তোমার মতো করবে কে শাসন
বাবা তুমি আমার বেঁচে থাকার কারন
নেই তোমার মতো কেউ এতোটা আপন”
বাবা দুই অক্ষরের সবথেকে দামী শব্দ।
বাবা একটি ডাইরির নাম যেখানে জীবনের সমস্ত চাওয়া পাওয়ার হিসাব লিখা রাখা যায়।আমাদের যত অভাব-অভিযোগ, সুখ-আহ্লাদ, রাগ – অভিমান, হাসি – কান্না সব তো বাবার কাছেই। বাবা হলেন দারুন এক গল্পের বই । যে বই আমাদের বলতে শিখায়,চলতে শিখায়, অসীম ধৈর্য নিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে শেখায়।
যে বই হাত ধরে পৃথিবী চিনায় – যে বই হাজারো অনুপ্রেরণার উৎস। আমাদের পথপ্রদর্শক।
আমাদের একমাত্র নির্ভর যোগ্য নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র সত্যিকারে বন্ধু। বাবা হলেন জান্নাতের মধ্যম দরজা । রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘পিতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং পিতার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি নিহিত।’
আজ বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় দিবসটি।বিশ্বের ৫২ দেশে এক যুগে পালিত হচ্ছে দিবস টি।
ধারণা করা হয়, ১৯০৮ সালের ৫ই জুলাই, আমেরিকার পশ্চিম ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় এই দিনটি প্রথম পালিত হয়। আবার, সনোরা স্মার্ট ডড নামের ওয়াশিংটনের এক ভদ্রমহিলার মাথাতেও পিতৃ দিবসের আইডিয়া আসে।
বিশ্বের বেশ কিছু দেশ ভিন্ন মাসের কয়েকটি ভিন্ন তারিখে বাবা দিবস পালন করলেও। পৃথিবীর একটি বড় অংশ যেমন- বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, চিলি, কলাম্বিয়া, কোস্টারিকা, কিউবা, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স, গ্রিস, হংকং, ভারত, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, জাপান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ড, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলংকা, সুইজারল্যান্ড, ভেনিজুয়েলা ও জিম্বাবুয়েসহ আরও কিছু দেশে জুনের তৃতীয় রোববার বাবার জন্য পালন করা হয়।
বাবা দিবস উপলক্ষে পৃথিবীর সব বাবার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা। জীবিত প্রতিটি বাবাকে আল্লাহ সুস্বাস্থ্য দান করুক। আর যেসব বাবা দুনিয়া থেকে বিদায় হয়েছেন, তাদের জন্য দোয়া করি আল্লাহ তাদের সাথে উত্তম আচরণ করুক যেমন আচরন তারা আমাদের শিশু কালে করেছেন।