যখন দেশ জুড়ে চিনি সংকট, তখন অবৈধভাবে মজুদ করা ৫৩০ বস্তা চিনি উদ্ধার করল ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
আজ (২২ নভেম্বর) মঙ্গলবার মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে, ভোক্তা অধিদপ্তর এর নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে অধিদপ্তরের একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় অভিযান পরিচালনার তথ্য পেয়ে আসাধু ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখে পালিয়ে যায়, পরবর্তীতে তাদেরকে খুঁজে বের করে চিনি মজুমদ আছে কিনা জানতে চাইলে ব্যাবসায়ীরা মজুদের ব্যাপারে অস্বীকার করেন।
আশেপাশের গোডাউন গুলোতে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে ভোক্তা কর্মকর্তাদের নজরে আসে চিনি মজুদের বিশাল গোডাউন।
সহকারী পরিচালক শরিফুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, এসব বস্তার প্রতিটিতে ৫০ কেজি করে চিনি আছে। অর্থাৎ মোট জব্দকৃত চিনির পরিমাণ ২৬ হাজার ৫০০ কেজি।
শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি মার্কেটের বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স ও সততা ট্রেডার্সের মালিকরা অবৈধ উদ্দেশ্যে এসব চিনি মজুত করে রেখেছিল।’ আমরা সেগুলো সাধারণ ক্রেতাদের কাছে সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে সহযোগিতা করেছি।
বাজারে সর্বোচ্চ ১০২ টাকা কেজি দরে চিনি বিক্রির সরকারি নির্দেশ থাকলেও, তারা বাজারে চিনির স্বল্পতার সুযোগ নিয়ে বেশি দামে এসব চিনি বিক্রির উদ্দেশে মজুত করে রেখেছিল বলে জানান তিনি।
বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সকে ৫০ হাজার ও সততা ট্রেডার্সকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
কৃষি মার্কেটের একাধিক খুচরা বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা প্রতি কেজি চিনি ১১৫-১২০ টাকায় বিক্রি করেন। পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে তারা এসব চিনি সর্বনিম্ন ১০৭ টাকা কেজি দরে কেনেন।