৫৩ তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে “প্রজন্ম ২৬ মার্চ” এর আলোচনা সভা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা

রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তন কেন্দ্রে প্রজন্ম ২৬ মার্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে প্রজন্ম ২৬ মার্চের সাংগঠনিক  সম্পাদক আব্দুল কাদেরের সঞ্চালনায় উক্ত প্রোগ্রামটি পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সূচনা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রজন্ম ২৬ মার্চের উপদেষ্টা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রকৌশলী মোসলিম উদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তাজিরুল ইসলাম, এছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন প্রজন্ম ২৬ মার্চের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট সোহেল আলম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ পরান রিপন, ঢাকা মহানগর উপদেষ্টা নাজিবুর রহমান, ইউনিক গ্রুপের চেয়ারম্যান কামারুজ্জামান, ডাক্তার শফিকুল ইসলাম কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাদল,  ঢাকা মহানগর পশ্চিম সভাপতি আপনার আলম নাবিল, ঢাকা মহানগর পশ্চিম সাধারণ সম্পাদক আকিব মাহমুদ সহ ঢাকা মহানগরীর প্রজন্মবৃন্দ।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিভক্তির নয় ঐক্যের” আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসনামলে হাজারো প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় পত্র কে দলীয়করণের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছিল। এবং সেই ফাঁকা জায়গাগুলোতে তাদের দলীয় ক্যাডারদের ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দেয়া হয়েছিল। এতে করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। প্রজন্ম ২৬ মার্চ চায় ছাত্র জনতার বিপ্লবের দ্বারা অর্জিত নতুন স্বাধীন এই বাংলাদেশে কোন প্রকার বৈষম্য থাকবে না। মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন দল মতে বিশ্বাসী হতে পারেন তাই বলে তাদেরকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। অনতিবিলম্বে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কে সনাক্ত করে তাদের সনদ বাতিল করার মাধ্যমে প্রকৃত এবং অধিকার বঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধাদের কে তাদের প্রাপ্য ফিরিয়ে দিতে হবে। এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে ভারতের সকল আধিপত্যবাধ এবং আগ্রাসনকে রুখে দিতে হবে।

প্রজন্ম ২৬ মার্চের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট সোহেল আলম তার বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্বের সাহসী যোদ্ধা জাতীর সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কে সকল মতাদর্শের ঊর্ধ্বে গিয়ে সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে। যদি কোন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার আইনি সহায়তার প্রয়োজন হয় আমি ব্যাক্তিগত ভাবে তাদের আইনি সহায়তা করব। আর যাতে কোন দল মুক্তিযোদ্ধাদের কে নিয়ে দলীয় রাজনীতি করতে না পারে সে বিষয়ে আমাদের প্রজম্নদের সোচ্চার থাকতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে একদল সৎ দক্ষ ও দেশ প্রেমিক নাগরিকের বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *