এক সপ্তাহও পার হয়নি বাংলাদেশ জাতীয় দলের এক সময়ের নিয়মিত মুখ নাসির হোসেনের আকদের। গেল শুক্রবার তার ফেসবুক পেজে পোস্ট করা বিয়ে ও গায়ে হলুদের ভিডিও নেটদুনিয়ায় এখনো ঘুরপাক খাচ্ছে।
এখনো সেসব পোস্টের কমেন্টবক্সে ভক্তদের শুভকামনায় ভাসছেন জাতীয় দলের এই অলরাউন্ডার। আর এরইমধ্যে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ পেল, যা শুনে হতভম্ব নাসিরের ভক্তসহ দেশের ক্রীড়াঙ্গন।

জানা গেছে, নাসিরের সহধর্মিণী তামিমা হোসেন তাম্মির এটাই প্রথম বিয়ে নয়। তার আরও এক স্বামী রয়েছে এবং সেই সংসারে ৮ বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। আর সেই স্বামী-সন্তানকে ফেলে এসে নাসিরের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন তামিমা।
তামিমার সেই স্বামীর নাম রাকিব হাসান। তার দাবি, তামিমার সঙ্গে ১১ বছরের দাম্পত্য জীবন কাটিয়েছেন তিনি। তাদের ঘরে ৮ বছর বয়সী মেয়ে রয়েছে। তামিমা তাকে তালাক না দিয়েই ক্রিকেটার নাসিরের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।
এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন রাকিব হাসান। ইতোমধ্যে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি জিডি করেছেন রাকিব।
উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি শাহ মো. আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে রাকিব হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করাহলে তিনি বলেন, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তিন লাখ টাকা দেনমোহরে তামিমার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর অনেক বছর তামিমার পক্ষের কোনো আত্মীয়স্বজনের দেখা পাইনি।
বছরচারেক আগে আমার ভাইয়ের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা ঋণ নিয়ে তামিমাকে সৌদি এয়ারলাইন্সে চাকরি পাইয়ে দিই। এই চাকরি পাওয়ার পর থেকেই সে (তামিমা) বদলে যেতে থাকে।
বিমানে দেশে-বিদেশে ঘুরে বেড়ানোর কারণে তাকে কম কাছে পেতে থাকি। এরইমধ্যে আমাদের মেয়ের দেখভালের জন্য তার মাকে আমাদের বাসায় নিয়ে আসি। এতে উপকারের বদলে অপকারই হয়।
ঝগড়া এড়াতে আমি গত এক বছর ধরে একা অন্য একটা বাসায় ভাড়া থাকছি। এরইমধ্যে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে ফেসবুক আর গণমাধ্যমে দেখি আমার স্ত্রী বধূবেশে ক্রিকেটার নাসিরের পাশে।
আপ্লুতকণ্ঠে রাকিব হাসান বলেন, নাসিরের ফেসবুকে পোস্ট করা সেই বিয়ের ভিডিও আমার মেয়ে দেখে অঝোরে কাঁদছে। আমাকে কোনো নোটিশ না দিয়ে, কোনো কাগজপত্র না পাঠিয়ে কেন এভাবে অন্যের স্ত্রী হতে চলে গেল তামিমা? আমি বুঝতে পারছি না। এখনো আমাদের ডিভোর্স হয়নি।আমার অবুঝ মেয়ে কী দোষ করেছে? যে এখন মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের ভিডিও দেখে কাঁদছে?- এমন প্রশ্নও রাখেন তামিমার প্রথম স্বামী।
নাসির হোসেনের সঙ্গে কবে কীভাবে তামিমার যোগাযোগ হলো, সে বিষয়ে কিছু জানতেন কি না- এ প্রশ্নের জবাবে রাকিব বলেন, বছরখানেক আগে আমি তামিমার ইনস্টাগ্রামে নাসির হোসেনের সঙ্গে তার ছবি দেখেছিলাম। এমন একটি ছবি নাসিরও ফেসবুকে দিয়েছিল। তখন তামিমা বলেছিল, নাসির হোসেন তার বন্ধু।
জিডির বিষয়ে রাকিব বলেন, ওই জিডি নিয়ে আমার পক্ষ থেকে একজন সাংবাদিক নাসিরের বাসায় যান। নাসিরের মাসহ পরিবারের লোকজন প্রথমে আমাকে চেনেন না বলে অস্বীকার করে। পরে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চালান তারা। আমি রাজি না হলে নাসির আমাকে ফোন করে জিডি করার ব্যাপারটি ধামাচাপা দিতে বলেন।
ফোন রেকর্ডে একটি কণ্ঠ (রাকিব) থেকে বলতে শোনা গেছে, আপনি কি তামিমা সম্পর্কে সবকিছু জানেন? জবাবে অপর পাশের কণ্ঠ (নাসির হোসেন) বলছেন, তার সবকিছু জেনেশুনেই আমি তাকে বিয়ে করেছি। তার বাচ্চা আছে, তার আগেও বয়ফ্রেন্ড ছিল সবকিছুই আমি জানি। আপনার বৌ আপনার সঙ্গে ভালো থাকলে নিশ্চয়ই আপনার ১১ বছরের সংসার ভেঙে আমার কাছে চলে আসতো না।
এদিকে রাকিব ও তামিমার বিয়ের কাবিননামার একটি কপি হাতে এসেছে। যেখানে দেখা গেছে, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তিন লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে হয়।
এ বিষয়ে জানতে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।
My partner and I stumbled over here by
a different website and thought I
might check things out.
I like what I see so now i am following
you. Look forward to checking out your web page for a second time.