রেলে ‘অব্যবস্থাপনা’: শুক্রবার ফের কমলাপুরে

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে  ‘যানজট ও জনদুর্ভোগের কথা’ বিবেচনার কথা জানিয়ে তারা শাহবাগ মোড় ত্যাগ করেন।

তার আগে রনি বলেন, শুক্রবার বিকেলে আবারও কমলাপুর রেলস্টেশনে তাদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু হবে। পাশাপাশি আদালতের মাধ্যমে লড়াই চালিয়ে যাবেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে রনি বলেন, “শাহবাগে আসার পর অনেক মানুষ জটলা বেঁধে ফেলেছি, সেখানে যানজট ও জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় আপাতত আমরা সেখান থেকে সরে এসেছি। আগামীকাল বিকেলে কমলাপুরে আবারও আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করব।

“শত বাধা সত্ত্বেও কমলাপুর এবং শাহবাগে আমাদের আজকের অবস্থান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছি। বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা পরিবর্তনের ছয় দফা দাবিতে আজকের কর্মসূচি স্থগিত করছি। আগামীকাল থেকে কমলাপুরেই ৬ দফাসহ আজকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করার ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে কর্মসূচি যথারীতি চলবে।”

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ‘হামলা’ করেছে অভিযোগ করে রনি বলেন, “মারের বদলে হাতে মার না দিয়ে ওদেরকে এবার কাগজে কলমে মার দেওয়া হবে। মহামান্য হাই কোর্টে ওদের সাথে কথা হবে।”

দাবি আদায়ে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়ার পরও কর্তৃপক্ষের ‘আশ্বাস না পাওয়ায়’ বৃহস্পতিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন রনি। একইসঙ্গে সারাদেশে ‘ভুক্তভোগীদের’ রেলস্টেশনে অবস্থান কর্মসূচি পালনেরও আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে তার এ অবস্থানের কথা তুলে ধরার সময় বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার পর রনি ও তার সঙ্গীরা রেলস্টেশনের ভেতরে ঢুকতে গেলে রেল পুলিশ ও আনসার সদস্যরা তাদের বাধা দেন। কিছুক্ষণ ধাক্কাধাক্কির পর তারা বাধা পেরিয়ে রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মের সামনে চলে যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *