বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাড়াতে,
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে-
🌱 ১ মিলিয়ন সবজি চারা ও
🌾৫ একর জমিতে ধানের চারা
উৎপাদন করে সংশ্লিষ্ট কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উক্ত কাজ সম্পাদনের জন্য কমপক্ষে পাঁচ লাখ টাকার প্রয়োজন। বন্যা পরবর্তী খাদ্য নিরাপত্তায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় আপনাদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। আপনাদের ডোনেশনে বন্যা সিক্ত মাটি ভেদ করে নতুন বীজ অঙ্কুরিত হবে।
✒️এখন পর্যন্ত আপডেট:
১. সম্মিলিত সাংগঠনিক ঐক্য, হাবিপ্রবির ‘গণত্রাণ কর্মসূচি’ এর পক্ষ থেকে উত্তলিত ফান্ডের ২৫% (১ লক্ষ টাকা) হস্তান্তর করা হয়।
২. “কৃষি বাজার” দুই লক্ষ সবজির চারা ডোনেট করবে বাকি চারা ক্যাম্পাসে ও স্থানীয় নার্সারীতে উৎপাদন করা হবে। এছাড়া চারা পরিবহনের জন্য “কৃষি বাজার” সার্বিক সহায়তা করবে। আগামীকাল থেকে সবজির সীডলিং উৎপাদনের কাজ শুরু হবে।
৩. “Farmers Green Revolution” এবং “IAAS Bangladesh HSTU” এর সম্মিলিত প্রচেস্টায় BRRI dhan 75 এর ৭৮০ কেজি আমরা সংগ্রহ করেছি।এর মধ্যে কিছু সংখ্যক চারা উৎপাদন করে পাঠাবো,আর বাকি বীজ সরাসরি কুমিল্লা এর চৌদ্দগ্রামে পাঠনো হবে।
৪.BINA 17 এর ৫০০ কেজি বীজ লক্ষীপুর উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
৫. আমন লোকাল ভ্যারাইটি ৫০০ কেজি সিলেট ও কুমিল্লা এর কিছু উপজেলায় পাঠানো হবে শীগ্রই।
৬.হাবিপ্রবি-তে বীজতলা তৈরির জন্য মাঠ তৈরি করা হয়েছে।। কালকে বীজ লাগানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
৭. ধান ও সবজির বীজ সংগ্রহের জন্য সরকারি,বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বীজ কোম্পানির সাথে যোগাযোগ চলমান। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি।
৮. জার্মান ভিত্তিক বহুজাতিক কোম্পানি “বায়ার ক্রপসায়েন্স লিমিটেডর” সহায়তায় ৫০০ কেজি (ডেনেশন ভ্যালু ২৬৫০০০ টাকা) “হাইব্রিড ধানী গোল্ড” জাতের ধানের চারা উৎপাদনের কাজ চালমান।
যারা আমদের এই উদ্দ্যোগে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।। আমাদের কাজে অংশগ্রহন করার জন্য আহবান জানানো হলো।