চাষের মাছ ভেসে গেছে পদ্মা-মেঘনায়, ধরছেন জেলে

চাষের মাছ ভেসে গেছে পদ্মা-মেঘনায়, ধরছেন জেলে
এসব মাছ কম দামে বিক্রি হচ্ছে আড়তসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায়।

চাষের মাছ ভেসে গেছে পদ্মা-মেঘনায়, ধরছেন জেলে
চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুরে টানা বৃষ্টিতে ঘের ও পুকুরের ভেসে যাওয়া চাষের মাছ ভেসে গেছে পদ্মা ও মেঘনায়। সেই মাছ নদী থেকে উৎসাহে সঙ্গে ধরছেন সাধারণ মানুষ ও জেলেরা।

দুদিন ধরে জাল ও ফাঁদ দিয়ে চলছে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির এসব মাছ ধরা।

এসব মাছ কম দামে বিক্রি হচ্ছে আড়তসহ বিভিন্ন পাড়া মহল্লায়।

শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চাঁদপুর সদর উপজেলার পুরাণ বাজার রনাগোয়াল, হরিসভা, দোকানঘর, বহরিয়া, হরিণা ও চান্দ্রা বাজার মেঘনা সংলগ্ন জেলে পল্লিগুলোতে দেখা গেছে ইলিশসহ দেশীয় প্রজাতির মাছ ধরতে নেমেছে শত শত জেলে নৌকা।

জেলার ডাকাতিয়া নদী সংযুক্ত সদর, ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলার বহু মাছের ঘের, পুকুর ও জলাশয়ের মাছ উজান থেকে নেমে আসা বানের পানির স্রোতে গিয়ে মিলেছে পদ্মা-মেঘনায়।

এসব এলাকার চাষের মাছ নেমে যাওয়ার গতিপথে নদী ও খালের বিভিন্ন স্থানে লোকজন মাছ ধরতে নেমেছেন। মাছ ধরার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাব বিক্রিও হয়ে যাচ্ছে।

শহরের পাড়া-মহল্লা ও মেঘনা উপকূলীয় আড়ত হরিণা এবং রণাগোয়াল ঘাটে দেশীয় প্রজাতির রুই, কাতল, মৃগেল, তেলাপিয়া মাছ বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব মাছ অন্য সময় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়।

হরিণা ফেরিঘাট মাছের আড়তের ব্যবসায়ী মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “নদীতে ইলিশ কম। তবে বানের পানিতে আসা দেশীয় প্রজাতির মাছে এখন ইলিশের আড়ত চাঙ্গা। দাম কম হওয়ায় একেক ক্রেতা ৫ থেকে ১০ কেজি করে মাছ কিনছেন।”

পানি কমলে এই মাছ আরও বেশি ধরা পড়বে বলে তার ধারণা।

এদিকে, চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, “সকালে জোয়ারের সময় পদ্মা-মেঘনায় পানির লেভেল ছিল ৩ দশমিক ২ মিলিমিটার। ভাটায় আরও কমে যাবে। বিপৎসীমার অনেক নিচে আছে পদ্মা-মেঘনার পানি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *