মহাকালের মহান ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ সা:

পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠ যত বড় নায়ক-মহানায়ক, সমাজ সংস্কারক, দোর্দণ্ড প্রতাপশালী বিপ্লবী-মহাবিপ্লবীদের ভার ধারণ করেছে তাদের মধ্যে পৃথিবী তার সর্বাঙ্গে একমাত্র যে মহামানবের স্পর্শকে অনুভব করে, যার অবদান ও কীর্তিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে, তিনি বিশ্বমানবতার অকৃত্রিম বন্ধু, পূর্ণাঙ্গ মহামানব, কালেমার পতাকাবাহী মরু-সাইমুম, শেষ নবী, বিশ্বনবী, বিশ^নেতা হজরত মুহাম্মদ সা:। যার চরিত্রে অসংখ্য গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। যাকে পেয়ে তৃষ্ণার্ত পৃথিবী তৃপ্তি লাভ করেছিল। যিনি জীবনের সব দিক ও বিভাগে আমূল পরিবর্তন করে পুরো সমাজ সভ্যতাকে আল্লাহর রঙে রাঙিয়ে গেছেন। তিনি নিছক এমন কোনো ধর্মীয় নেতা ছিলেন না, শুধু মসজিদে বসে মানুষদের ধর্মীয় বাণী শুনাতেন বা বেশির ভাগ সময় ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। অথবা তিনি এমনটিও ছিলেন না, শুধু ইমামতি নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন বা উপরন্তু ধর্মীয় দিকটি দেখাশোনা করতেন। আর সন্তুষ্ট চিত্রে বাইরের পৃথিবীর নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন অসৎ, আল্লাহবিমুখ তাগুতি শক্তির হাতে।

কুরআন-হাদিস সাক্ষী, তিনি এমনটি করার জন্য প্রেরিত হননি; বরং পৃথিবীর অসংখ্য খোদার নাগপাশ থেকে সমাজ ও সভ্যতাকে মুক্ত করে এক আল্লøাহর গোলামে পরিণত করার সব কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। আল্লøাহ রাব্বুল আলামিন বলেন, ‘তিনিই তো তার রাসূলকে হেদায়াত ও সত্য দ্বীনসহকারে পাঠিয়েছেন, যেন এটিকে অন্যান্য সর্বপ্রকার দ্বীনের ওপর বিজয়ী করে দেন- তা মুশরিকদের যতই অপছন্দ হোক না কেন।’ (সূরা আছ-সফ-৯)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *