পুড়ে যাওয়া গাছ, ছাইয়ে ঢেকে থাকা ধ্বংসস্তূপ আর আধাভাঙা ভবন, লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় এখন এমনই দৃশ্য। ইসরায়েলি হামলার পর ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
উপকূলীয় শহর সাইদার এক বাসিন্দা মোহাম্মদ হাবলি বলেন, এই ধ্বংসযজ্ঞ তাকে গাজার কথা মনে করিয়ে দেয়। যেখানে দুই বছরের ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ ও অবরোধে বিস্তীর্ণ এলাকা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
২০ বছর বয়সী প্রাণী উদ্ধারকর্মী মোহাম্মদ হাবলি সিএনএনকে বলেন, ‘চারদিকে ধ্বংস দেখে কান্না চলে আসে। এটা আপনার বাড়ি না হলেও অজান্তেই কেঁদে ফেলবেন। নিজের দেশ, পরিচিত জায়গাগুলো ধ্বংস হয়ে যেতে দেখাটা খুবই কষ্টের। মনে হয় যেন গাজায় আছি।’
ইসরায়েলি হামলায় লেবাননের বহু জনপদ প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। দুর্বল হয়ে পড়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও। হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে হামলা চালানোর পর পাল্টা অভিযানে লেবাননে অন্তত ২ হাজার ২৯৪ জন নিহত হয়েছেন।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে লেবাননের বাসিন্দা মোহাম্মদ হাবলি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা প্রাণী উদ্ধারে কাজ করছেন। তিনি বৈরুত, দাহিয়া ও দক্ষিণাঞ্চলীয় নাবাতিয়েহসহ বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নিয়েছেন।
তার ভাষ্য, অনেক মানুষ তড়িঘড়ি করে আশ্রয়কেন্দ্রে পালিয়ে যাওয়ায় নিজেদের পোষা প্রাণীগুলো সঙ্গে নিতে পারেননি।