মিরপুরে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে ২৮ মুক্তিযোদ্ধার সম্পদ আত্মসাৎ

ষড়যন্ত্রভাবে ২৮ জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যপদ বাতিলের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমাজ ও রুপনগর মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবার পূর্ণবাসন বহুমুখী সমিতি লিমিটেড এর ষড়যন্ত্রের শিকার ২৮ জন মুক্তিযোদ্ধা সদস্য ষড়যন্ত্রে শিকার।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানা যায়, রুপনগর মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবার পূর্ণবাসন বহুমুখী সমবায় লিমিটেড এর দুঃশাসনের হুতা সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারের ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন মজুমদার কীর্তক অত্র সমিতির ষড়যন্ত্রের শিকার ২৮ জন্য মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় আমরা যে স্থানটিতে একত্রিত হয়েছি এই ৪ নং ফ্ল্যাট ১৯৯৯ সনে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণ ভার্সনের বরাদ্দ্য প্রদান করেন।

পরবর্তীতে বিগত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯ সনে ডোরিন ডেভলপার কোম্পানির সহিত যৌথ উদ্যোগে চুক্তির ভিত্তিতে ডোরিন ফ্রি ডম টাওয়ার নির্মান এর চুক্তি সম্পাদিত হয়। উক্ত চুক্তি সম্পাদনকারীন তৎকালীন সভাপতি আনোয়ার হোসেন মজুমদার এবং সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু শামীমের দায়িত্বে ফলক নাম্বার মাধ্যমে অত্র সমিতির ৬১ জন মুক্তিযোদ্ধা সদস্যের তালিকা ঘোষণা করা হয় এবং উল্লেখিত কমিটির ১৬/৪/২০১৬ পর্যন্ত সমিতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।এই দীর্ঘ সাত বছরের ব্যবধানে আওয়ামী দু শাসনের শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারের ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন মজুমদার ও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সমিতির ২৮ জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য বাতিল করিয়া বেআইনিভাবে সমিতির গঠনের লংঘন করে ৪০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সমিতি থেকে অন্তর্ভুক্ত করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন।

এ বেআইনি কর্মকান্ডের বেশি আমি সংশ্লিষ্ট জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলকে অবহিতি করিলে তৎপ্রেক্ষিতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের আইন ও বিধি মতে বিগত ১৯ ১ ২০২০ তারিখে একজন প্রশাসক নিয়োগ দেন কিন্তু কোন উদ্দেশ্য শক্তির কারণে কিংবা আর্থিক স্বার্থ চরিত্রের ফলে কোন ব্যবস্থা নেননি।

এই দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহ ২৮ জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এই ষড়যন্ত্র শিকার হন। মুক্তিযোদ্ধা অধিকার আগে বিগত ১৬/৪/২০১৯ মহামান্য হাই কোর্ট রিট পিটিশন যার নং ৪১৯৭/২০১৯ দায় করিলে মনে আদালত অভিযোগের সততা যাচাইতে বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ৩০ দিনের সময় দিয়ে আদেশ প্রদান করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *