নিচের এই বর্তমান হিরো কে চিনেন না,বাংলাদেশের এমন কেউ নেই। বৈষম্যবিরোধী আন্দলনের তিনবাহিনীর মধ্যে অকুতভয় সেনা সদস্য Lieutenant SKSM Abrar Intisar Inzamam. আজকে তার মুখোসের পিছনে সে কত নোংরা একটা মানুষ,আমি নিজে ভুক্তোভোগী হয়ে তুলে ধরবো।
আসসালামু আলাইকুম আমি ফাতিমা ইকরা আরন্যা। আমি মৃত লেঃ কর্নেল আনিচুর রহমান ৩৫ বিএমএ লং কোর্সের তৃতীয় সন্তান।আমার বাবা দূরারোগ্য রোগে হঠাৎ মারা যাবার পর আমরা তিন বোন এর দায়িত্ব দেখা শুনা আমার মা ই করেন। আমার বড় বোন বিবাহিত,মেঝো বোন পড়াশুনা করছেন। SKSM Abrar Intisar Inzamam
বাংলাদেশ নেভিতে কাজ করলেও বিবেক বিসর্জন দিয়ে একের পর এক অনৈতিক কাজ করে আসছিল।ভদ্রবেশী নিষ্পাপ চেহারার আড়ালে সে একজন ভয়ংকর অপরাধী।
নিজের প্রফেশন, ভদ্রবেশী চেহারা ও সুমধুর কথার মাধ্যমে মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে প্রতারণা করাই তার একমাত্র নেশা ও পেশা। এখন পর্যন্ত সে ৪ টি মেয়েকে বিয়ে করেছে এবং একটি হিল্লা বিয়েও করেন।মূলত মেয়েদের জীবণ নিয়ে খেলা এক পৈশাচিক পুরুষ এই ইনতিসার।
আমার সাথে গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৩ এ sksm abrar Intisar inzamam এর সাথে পারিবারিক ভাবে আমার বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহের ২০ দিনের মাথায় এই সাহসী বীর আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দেয় কোন কারন ছাড়া ই। তালাকের পর আমি জানতে পারি যে সে আগে আর ও চার টি বিবাহ করেছে। আমি নিজে তার একজন ভুক্তভুগি মাত্র । আমাকে তালাক নামা পাঠিয়ে সে তার আগের স্ত্রীর কাছে ফেরত যায়,তাকে বলে যে তাকে ছাড়া থাকতে পারবে না। এই সম্পর্কিত বিষয়ে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিকট অভিযোগ জানানোর পর তারা সেই অভিযোগ আমলে নেয় এবং তদন্ত পূর্বক অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায়।
তদন্তে ইনতিসারের সঙ্গে আরো অসংখ্য মেয়ের ঘনিষ্ঠতার বিষয়ে তথ্য উপাত্ত পাওয়া যায়। যখনই সে বুঝতে পারে তার এইসব অপকর্মের জন্যে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, তার চাকুরি চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী যাতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে আর তারা যাতে সেটা না করতে পারে তাই সে আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সাথে একাগ্রতা প্রকাশ করে ভিডিও ধারণ করে অফিসিয়াল পোশাক পরিহিত অবস্থায়।
যাতে পরবর্তীতে তার চাকরী চলে যাবার সিদ্ধান্ত হলেও যাতে জনগনের কাছে সে বৈষম্যবিরোধী আন্দলন এর কারন জানাতে পারে ।এবং তার এ অবস্থা হয়েছে জানিয়ে সবার মাধ্যমে যাতে বাংলাদেশ নেভীর উপর চাপ প্রয়োগ করতে পারে।যাতে তারা তেমন ব্যবস্থা না নিতে পারে। হাউজ এরেস্ট থাকা অবস্থায় এক বড় কর্মকর্তার সাহায্যে সে এসব ভিডিও চিত্র ধারণ করে প্রকাশ্যে এসেছেন।কারণ সে এখন প্রেসার ক্রিয়েট করতে চাচ্ছেন এবং প্রকাশ করতে চাচ্ছেন যেন চাকুরি থেকে বরখাস্ত করা না হয় যদি করা হয় তাহলে তিনি কারণ হিসেবে দেখবে যে ভিডিও ধারণ করা ও কোটাবিরোধী আন্দোলনের পক্ষে কোথা বলার জন্যে তার চাকুরি চলে গেছে। এর আগে বিভিন্ন অপকর্মের কারনে জানুয়ারী ফেব্রুয়ারীতেও সে হাউজ এরেস্টে ছিলো।
সবাই এর ভন্ডামী থেকে বিরত থাকুন। সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানাই।
আমি নিচে আমাদের সকল ছবি ভিডিও বিবাহের ও তালাক নামার দিয়ে দিচ্ছি। আপনারা এই মানুষ রুপী পিচাস কে কোন ভাবেই সাপোর্ট দিয়েন না। নিজের চাকরী বাচাতেই আর ফোকাসে আসতেই সে একাত্মতা প্রকাশ করেছিলো। আমার বাবা না থাকায় আমার সরলতার সুযোগ নিয়েছে। অনেক সাহস নিয়ে আমি আপনাদের কাছে এসেছি,আল্লাহ যাতে আমার সহায় হয় দোয়া করবেন।