গতকাল (৩১ জুলাই ২০২৪) রাত নয়টার সময় মোহাম্মদপুরের আজিজ মহল্লা রোডের বিভিন্ন বাসায় অভিযান চালায় মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। অভিযানে পুলিশ সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই গণহারে গ্রেফতার করেছে বলে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসি। আব্দুল্লাহ তালিব নামে আজিজ মহল্লার এক বাসিন্দা জানান, গতকাল রাতে তার পরিচিত নয়জনকে এক বাসা থেকে সাদা পোশাকে এসে তুলে নিয়ে যায় কিছু লোক, পরবর্তিতে জানা যায় তারা মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। যাদের কে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় তারা হলেন রিপন, সাকিফুর রহমান, সাদ্দাম হোসাইন, আব্দুল্লাহ আল রাফি ভূঁইয়া, আমিনুল ইসলাম সোহাগ, ইমতিয়াজ, আবু ইছা, মোস্তফা ও মশিউর। তাদের মধ্যে রিপন ও মোস্তফা চাকরিজীবী এবং বাকীরা সবাই সাধারণ ছাত্র।
গেফতারকৃত মোস্তফার বোনের সাথে কথা বলে জানা যায়, মোস্তফা এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। কোটা আন্দোলনের সাথে তার ভাই সম্পৃক্ত না থাকার সত্ত্বেও তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি জানান, থানায় আমি কয়েকবার আমার ভাইয়ের সাথে দেখা করতে চেয়েছি, কিন্তু মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ আমাকে দেখা করতে দেয়নি। আমার ভাই নিরাপরাধ, অবিলম্বে আমার ভাইয়ের মুক্তি চাই।
সাকিফুর রহমানের সহপাঠী নিয়াজ বলেন, থানায় তাদেরকে শিবির পরিচয় দিয়ে স্বীকারোক্তি দেয়ার জন্য বেশ জোরাজোরি করা হয় এবং এক পর্যায়ে অমানবিক নির্যাতন করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। আজ দুপুর প্রায় সাড়ে ১২টার সময় তাদের মোহাম্মদপুর থানা থেকে “কাউন্টার টেরিরিজম” ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তাদের খোজ পাওয়া যাচ্ছে না। আমার সকল বন্ধু এবং ভাইদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।