সাঈদীর স্মরণে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখার দোয়া মাহফিল

বিশ্ব নন্দিত ইসলামিক স্কলার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ’র আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখা।

আজ (১৬ আগস্ট, ২০২৩) বুধবার বিকাল ৪.০০ টায় রাজধানীর শহীদ কামারুজ্জামান আলম মিলনায়তনে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ’র জীবনী আলোচনা ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান। ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখার সভাপতি এমএ জামান ভূইয়ার সভাপতিত্বে ও শাখা সেক্রেটারি এইচএম সালাউদ্দনি মাহমুদের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

কেন্দ্রীয় সভাপতি সংগঠনের সকল শহীদের শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা কামনা করে বলেন, “মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা; শহীদ সাব্বির ভাই থেকে শুরু করে সাইফুল ইসলাম মামুন ভাই, শহীদ আব্দুল মালেক ভাই থেকে শুরু করে শহীদ ফুরকান ভাই কাফেলার প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারি ও সর্বশেষ বিশ্ববরেণ্য মুফাসসিরে কুরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ ইসলামী আন্দোলনের সকল শহীদ ভাইয়ের শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা কামনা করছি।

রাজিবুর রহমান আল্লামাকে স্মরণ করে বলেন, “বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম নেতা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন, প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও বিশ্ববরেণ্য ইসলামী চিন্তাবিদ, কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় কুরআনের খিদমত করেছেন। বিশ্বের একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে তিনি ছুটে বেড়িয়েছেন মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের তাফসীরের জন্য। তাঁর তাফসির শুনে বহু অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদে তিনি কুরআনের মাহফিল করে মানুষের কাছে আল্লাহর বানী পৌঁছে দিয়েছেন। বাংলাদেশে ইসলামী জাগরণ সৃষ্টির ক্ষেত্রে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি তাঁর যৌবন কাটিয়েছেন কুরআনের তাফসীরের ময়দানে আর শেষ দিনগুলো কাটিয়েছেন কারাগারে।

ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজীবন সংগ্রাম করেছেন এই মহান দাঈ ইলাল্লাহ। সরকার জুলুম-নির্যাতন করে তাঁকে আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন থেকে বিচ্যূত করতে না পেরে মিথ্যা ও ষড়ন্ত্রমূলক মামলায় তাঁকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়ে তাঁর ওপর চরম অন্যায় করা হয়েছে। দেশের আপামর জনতা মনে করেন, আল্লামাকে পরিকল্পিতভাবে শহীদ করা হয়ে। তাঁর ইন্তিকাল বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাঁর এ শূন্যস্থান সহজে পূরণ হবার নয়। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর শূন্যতা কাটিয়ে উঠার তাওফীক দিন। মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর এই গোলামকে ক্ষমা করুন, তাঁর ওপর রহম করুন এবং তাঁকে সম্মানিত করে জান্নাতুল ফিরদাউসের উঁচু মাকাম দান করুন। আল্লাহ পাক তাঁর এ মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন, আমীন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *