আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন অ্যালেক্স হেলস। মাত্র ৩৪ বছর বয়সেই জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটে বাড়তি সময় দিতেই আগেভাগেই এমন অবসরের ঘোষণা তার।
গত বছর নভেম্বরে শেষবার জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন হেলস। যা পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ ছিল ইংল্যান্ডের। এরপর একপ্রকার জাতীয় দলকে এড়িয়ে যাচ্ছিলেন এই ওপেনার, এবার ঘোষণা দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি।
অবসর নেয়া প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে হেলস বলেন, ‘নিজ দেশের হয়ে তিন সংস্করণের ক্রিকেটে ১৫৬টি ম্যাচ খেলতে পারা বিরাট সম্মানের ব্যাপার। আমি অনেক স্মৃতির অংশ হতে পেরেছি, অনেক বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়েছি, যা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমার মনে হচ্ছে, এখনই সরে যাওয়ার সঠিক সময়।’
হেলস আরো যোগ করেন, ‘এই সফরটা দুর্দান্ত ছিল। আমি সন্তুষ্ট যে ইংল্যান্ডের হয়ে আমার শেষ ম্যাচটা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ, যে ম্যাচটা আমরা জিতেছি। একজন বিশ্বকাপ জয়ী হিসেবে আমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানাটাই নিখুঁত ফিনিশিং।’
২০১১ সালে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় হেলসের। একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০১৪ সালে। পরের বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হয় টেস্ট অভিষেক। তবে নিয়মভঙ্গ করার দায়ে ঘরের মাঠে ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী দলে জায়গা হয়নি হেলসের। তবে ফিরে এসেই দলের সাথে জেতেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
এই সময় টেস্ট ক্রিকেটে ১১ ইনিংসে হেলসের সংগ্রহ ৪৩.৮৪ গড়ে ৫৭৩ রান। ৭০টি একদিনের ম্যাচে করেন ২৪১৯ রান। আছে ছয়টি শতকও। আর ৭৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১ সেঞ্চুরিতে হেলসের রান ২০৭৪।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি লিগে দেখা যাবে মারকুটে এই ব্যাটারকে।