সাকিব আল হাসান খেললেন না। মোস্তাফিজুর রহমান খরুচে বোলিং করলেন। ফিল্ডিংয়ে সুযোগ হাতছাড়া হলো। মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাব্বির রহমানের ওপেনিং জুটিতেই ভরসা রাখল বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে খেই হারাল এরপর তারা।
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে আদতে টি-টোয়েন্টিতে কিছুই বদলাল না বাংলাদেশ দলের। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৬৭ রান তাড়ায় বাংলাদেশ থেমেছে ৮ উইকেটে ১৪৬ রানেই। ২১ রানে হেরেছে তারা।
মিরাজ ও সাব্বিরের ওপেনিং জুটি তেমন কিছু করতে পারেনি, এ নিয়ে চার ম্যাচে তাদের জুটিতে উঠেছে ১৯, ১১, ২৭ ও ২৫ রান। আজ মিরাজের পর সাব্বিরও ফেরার পর লিটন দাস ও আফিফ হোসেন একটু চেষ্টা করেছিলেন। দুজনের ৫০ রানের জুটি একটু আশাও জুগিয়েছিল বাংলাদেশকে। তবে অসময়ে ফিরে গেছেন লিটন, এরপর খেই হারিয়েছে বাংলাদেশও।
মোহাম্মদ নেওয়াজের পরপর ২ বলে লিটন ও মোসাদ্দেককে হারানোর চাপ আর সামাল দিতে পারেনি বাংলাদেশ। আফিফ হোসেন, নুরুল হাসানরাও কিছু করতে পারেননি। শেষদিকে টেল-এন্ডারদের নিয়ে ব্যাটিং করতে হয়েছে ইয়াসির আলীকে, তবে ততক্ষণে প্রয়োজনীয় রান রেট চলে গেছে নাগালের বাইরেই। ইয়াসির অপরাজিত থেকেছেন ২১ বলে ৪২ রান করে। আরেকবার তুলে দিয়েছেন প্রশ্নটা, তাঁদেরকে ঠিক পজিশনে খেলানো হচ্ছে আদতেই?
বাংলাদেশের তুলনায় অবশ্য আজ বেশ আঁটসাঁট বোলিং করেছে পাকিস্তান, পেসাররা উইকেটের বাউন্স কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছেন। নেওয়াজ শুধু রান আটকে রাখেননি, এনে দিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু।
এর আগে পাকিস্তান ১৬৭ রান পর্যন্ত গেছে রিজওয়ানের ৫০ বলে ৭৮ রানের অপরাজিত ইনিংসে। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশ অবশ্য পেয়েছিল ব্রেকথ্রু দেখা, নাহলে পাকিস্তানের স্কোর হতে পারত আরও বড়। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ১৫-২০ রান কম করার আফসো করতে হয়নি বাবর আজমদের।
আগামীকালই স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নামবে পাকিস্তান। বাংলাদেশের পরের ম্যাচ আগামী ৯ অক্টোবর, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।
ইয়র্কার। ইয়র্কার। উইকেট। উইকেট। তাসকিন এলবিডব্লু, রিভিউয়ের কারণে তাতে একটু সময় লেগেছে। নাসুমের ক্ষেত্রে সেটি লাগল না। ওয়াসিমের ইয়র্কারে স্টাম্প হারিয়েছেন নাসুম। নেওয়াজের মতো তিনিও দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন হ্যাটট্রিকের সামনে। তবে ওয়াসিম সুযোগ হারিয়েছেন ডাউন দ্য লেগে ওয়াইড করে।
পরের বলে আবার এলবিডব্লুর আবেদন হয়েছিল, তবে সাড়া দেননি আম্পায়ার। রিভিউও বাকি নেই পাকিস্তানের।