থানায় জব্দ গাড়ি গোপনে বিক্রি, এসআই ক্লোজড

কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানায় জব্দকৃত গাড়ি গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশের এসআই আবু সাঈদকে জেলা পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়। রোববার এ বিষয়ে ভৈরব থানায় কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তদন্তে প্রমাণিত হয়, এসআই আবু সাঈদ থানায় জব্দকৃত ৫টি প্রাইভেটকার ও ৪টি সিএনজি গোপনে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়।

গত ২৩ মে ‘ভৈরব থানায় জব্দ গাড়ি গোপনে বিক্রির অভিযোগ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল- থানার মালখানার দায়িত্বে থাকা এসআই আবু সাঈদ গোপনে ১৪টি জব্দ গাড়ি বিক্রি করে ৮-১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ঘটনায় আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন।

প্রতিবেদন প্রকাশের পর পুলিশ বিভাগে তোলপাড় শুরু হয়। কিশোরগঞ্জের তৎকালীন পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ বিষয়টি তদন্ত করতে এক সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এছাড়া বিষয়টি পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি অফিস থেকে পৃথকভাবে তদন্ত হয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

ভৈরব থানার ওসি মো. গোলাম মোস্তফা যুগান্তরকে বলেন, তাকে পুলিশ সুপার ক্লোজড করেছেন। তবে কী কারণে করেছেন তা আমি বলতে পারব না।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ও ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মোস্তাক আহমেদকে এ বিষয়ে জানতে তার মোবাইলে বারবার ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে সদ্য যোগদানকৃত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখকে মোবাইলে ফোন করলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।

ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি ও কিশোরগঞ্জের সাবেক পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ মোবাইলে যুগান্তরকে জানান, এ বিষয়টি অনেক আগেই তদন্ত হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট ঢাকা রেঞ্জ অফিসে পাঠানো হয়। এখন এসআই আবু সাঈদ ক্লোজ হলে তাকে নব যোগদানকৃত পুলিশ সুপার ক্লোজড করেছেন। বিষয়টি এখন আমি জানি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *