মাঠে অশোভন আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেও শেষ রক্ষা হয়নি সাকিবের, নিষিদ্ধ হয়েছেন চার ম্যাচ। মোহামেডানের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান এ সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেন মিডিয়ার কাছে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার মিরপুরে আবাহনীর বিপক্ষে ম্যাচে আউট না দেয়ার প্রতিবাদে লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন সাকিব আল হাসান। এছাড়া ক্ষিপ্ত হয়ে এসে তিনটি স্ট্যাম্পই তুলে নিয়ে মাটিতে আছাড় মারেন তিনি। এমন ঔদ্ধত্বপূর্ণ আচরণের কারণে সাকিবকে কী শাস্তি দেয়া হয়, সে দিকে তাকিয়ে ছিল সবাই।
অবশেষে ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ নিয়ন্ত্রক কমিটি সিসিডিএমের (ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিশ) পক্ষ থেকে চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি আরোপ করা হলো বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের ওপর।
ঢাকার মাঠে আবাহনী-মোহামেডান মানেই উত্তেজনা। সেটা যে খেলাতেই হোক। শুক্রবার মিরপুরে ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়াতেও ছিল উত্তেজনার পরশ। কিন্তু মাঠে আম্পায়ারের সঙ্গে সাকিব আল হাসানের অসদাচরণের কারণে সেই উত্তেজনা ভিন্ন একটি পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছায়।
একই সঙ্গে সাকিব এবং আবাহনী কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনের একে অপরের দিকে তেড়ে যাওয়ার ঘটনাও বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। পরে ড্রেসিংরুমে গিয়ে সুজনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন সাকিব। এরপর আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের কৃত অপকর্মের জন্য ভক্ত-সমর্থকদের কাছ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করেন মোহামেডান অধিনায়ক।
কদিন আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের জৈব সুরক্ষাবলয় ভেঙেও ক্ষমা চেয়েছিলেন সাকিব। এর আগেও ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিবের একাধিকবার শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা আছে। সেগুলোর জন্য তিনি বিভিন্ন সময় শাস্তিও পেয়েছেন।
Hi, i believe that i saw you visited my web site thus i came to return theprefer?.I am
trying to
find things to
enhance my web site!I assume its adequate to make
use of a few of your ideas!!