রাত ১২.৩০ দিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আগুন লেগে ছাই ৫টি দোকান

“আমরা সবাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। নিজেদের পুঁজি আর ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করে বেঁচে ছিলাম। এখনতো সব শেষ হয়ে গেলো।”

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আগুন লেগে পাঁচটি দোকান পুড়ে গেছে।

বুধবার বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার রনেন্দ্র নাথ চৌধুরী জানান, আগের রাত সাড়ে ১২টার দিকে বোয়ালমারী পৌরসদরের চৌরাস্তায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতিস্তম্ভ সংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত এক ব্যবসায়ী দাবি করেছেন। অবশ্য ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- লন্ড্রি ব্যবসায়ী মিন্টু রায়, ফার্মেসি ও ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী মো. আকিজ মোল্যা, ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ মোটর মেরামত কারিগর মো. মিতুল শেখ, বালু ব্যবসায়ী রওশন মোল্যা ও সেলুন ব্যবসায়ী গৌতম দাস।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বোয়ালমারী পৌরসভার চৌরাস্তা বঙ্গবন্ধু স্মৃতিস্তম্ভ সংলগ্ন স্টেশন রোডের উত্তর পাশে একটি টিনশেট দোকানে ধোঁয়া দেখতে পায় পথচারীরা। মুহূর্তের মধ্যে কালো ধোঁয়ায় চারপাশ অন্ধকার হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ততোক্ষণে টিনসেট ঘরের পাঁচটি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং ভেতরে থাকা সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্থ ফার্মেসি ও ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী মো. আকিজ মোল্যা বলেন, “সব মিলিয়ে পাঁচটা দোকানে নগদ টাকাসহ প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার মালামাল সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

“আমরা সবাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। নিজেদের পুঁজি আর ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে ছিলাম। এখনতো সব শেষ হয়ে গেলো।”

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা রনেন্দ্র নাথ বলেন, “খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হযই। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।”

আগুনে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “পাঁচটি দোকানের সব কিছু পুড়ে গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারবো।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *