শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ-ভাঙচুর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ৭১ বাংলা.কম গাজীপুর: ন্যূনতম মজুরি আট হাজার টাকা করার দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। রোববার সকালে অবরোধ চলাকালে বিক্ষোভকারীরা কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং কয়েকটি কারখানায় ঢিল ছোড়ে বলে গাজীপুর: ন্যূনতম মজুরি আট হাজার টাকা করার দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। রোববার সকালে অবরোধ চলাকালে বিক্ষোভকারীরা কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং কয়েকটি কারখানায় ঢিল ছোড়ে বলে ৭১বাংলা-কে জানান কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক। পরে পুলিশ টিয়ার শেল ছুঁড়ে শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে বেলা পৌনে ১১টার দিক যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চন্দ্রা এলাকার নায়াগ্রা টেক্সটাইল মিলের শ্রমিকরা সকাল ৯টার দিকে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ শুরু করে। তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নেয় এবং কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করে পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় যায় এবং গোমতি টেক্সটাইল, ইকো টেক্সটাইল, অ্যাপেক্সসহ কয়েকটি কারখানার শ্রমিকদের বেরিয়ে এসে আন্দোলনে যোগ দিতে বলে। এ সময় কিছু শ্রমিক কারখানাগুলোতে ঢিল ছোড়ে। পরে পুলিশ তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে চাইলে চন্দ্রা থেকে পল্লীবিদ্যুৎ এলাকা পর্যন্ত শুরু হয় ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়া। এক পর্যায়ে  পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শ্রমিকরা সরে গেলে বেলা পৌনে ১১টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ঢাকায় সমাবেশে যোগ দিতে বাধা পাওয়ার অভিযোগ এনে শনিবারও গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভারসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ দেখায় পোশাক শ্রমিকরা। এ কারণে কালিয়াকৈর উপজেলার অর্ধশতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়বলে ৭১বাংলাকে জানান কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক। পরে পুলিশ টিয়ার শেল ছুঁড়ে শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে বেলা পৌনে ১১টার দিক যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চন্দ্রা এলাকার নায়াগ্রা টেক্সটাইল মিলের শ্রমিকরা সকাল ৯টার দিকে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ শুরু করে। তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নেয় এবং কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করে পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় যায় এবং গোমতি টেক্সটাইল, ইকো টেক্সটাইল, অ্যাপেক্সসহ কয়েকটি কারখানার শ্রমিকদের বেরিয়ে এসে আন্দোলনে যোগ দিতে বলে। এ সময় কিছু শ্রমিক কারখানাগুলোতে ঢিল ছোড়ে। পরে পুলিশ তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে চাইলে চন্দ্রা থেকে পল্লীবিদ্যুৎ এলাকা পর্যন্ত শুরু হয় ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়া। এক পর্যায়ে  পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শ্রমিকরা সরে গেলে বেলা পৌনে ১১টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ঢাকায় সমাবেশে যোগ দিতে বাধা পাওয়ার অভিযোগ এনে শনিবারও গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভারসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ দেখায় পোশাক শ্রমিকরা। এ কারণে কালিয়াকৈর উপজেলার অর্ধশতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। টিএমআর’, ‘শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ-ভাঙচুর’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *