রাবিতে শিবির কর্মীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলিব…

‘ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট ৭১ বাংলা.কম রাজশাহী: শিবির আটকের নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদুল্লাহ কলাভবনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে পুলিশ ও ছাত্রলীগ। রোববার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শহীদুল্লাহ একাডেমিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ মসয় পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলিতে দুই শিবিরকর্মী ও একজন সাধারণ শিক্ষার্থী আহত হন। আহত শিবিরকর্মীরা হলেন ইমরান হোসেন (রসায়ন বিভাগ, দ্বিতীয় বর্ষ), আবু সুফিয়ান (পরিসংখ্যান, তৃতীয় বর্ষ) ও ভাষা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফিরোজ মাহমুদ। আহতদের রাজশাহী মেডেকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনে ছাত্রলীগের দলীয় টেন্ট থেকে হঠাৎ দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলির আওয়াজ পাওয়া যায়। এর পরপরই ছাত্রশিবির ছাত্রলীগের টেন্টে গুলি ছুড়েছে এমন অভিযোগে রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান রানার নেতৃত্বে ২০-২৫ জন ছাত্রলীগের বহিরাগত নেতাকর্মী পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে শিবিরকর্মীদের খুঁজতে থাকে। তারা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, রবীন্দ্র কলাভবন ঘুরে শহীদুল্লাহ কলাভবনের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এ সময় পুলিশ ও  রাবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহমিদ তানিম ভবনের ভেতরে থাকা শিক্ষর্থীদের লক্ষ্য করে ২৫-৩০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে তিন শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার সময় ওই ভবনে ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলছিল। এদিকে ঘটনার ছবি তুলতে গেলে ডেইলি নিউ এজ পত্রিকার রাবি প্রতিনিধি নাদিম মৃধাকে লাঞ্ছিত করে ছাত্রলীগ। রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান রানা বলেন, “আমরা দলীয় টেন্টে বসা ছিলাম। এ সময় ৮-১০ জন শিবিরকর্মী টেন্টের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। আমাদের মধ্যে একজন তাদের পারিচয় চাওয়ায় তারা ফাঁকা গুলি ছুড়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। আমরা পুলিশের সহায়তায় তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেছি।” তবে ছাত্রলীগের কেই গুলি ছোড়েনি বলে তিনি দাবি করেন। এ বিষয়ে রাবি শিবিরের সভাপতি আশরাফুল আলম ইমন বলেন, “কয়েকদিন ধরে ক্যাম্পাসে বহিরাগত ছাত্রলীগের যে মহড়া চলছিল এ ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত পরিবেশ অশান্ত করতে নিজেরাই গুলি ছুড়ে তা শিবিরের ওপরে চাপানোর চেষ্টা করছে। তারা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি একাডেমিক ভবনে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি ছুড়েছে, এটা খুবই ন্যক্কারজনক।” বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসর তারিকুল হাসান বলেন, “ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশের ওপর দেয়া আছে। তারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে।” কেউই একাডেমিক ভবনে গুলি ছোড়েনি বলে তিনি দাবি করেন। এ বিষয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আবদুস সোবহানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মিটিংয়ে আছি, পরে ফোন করবেন বলে ফোন কেটে দেন। টিএমআর’, ‘রাবিতে শিবির কর্মীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলিবর্ষন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *