ভিসি আক্তারুজ্জামানের ব্যক্তিগত আ/-ক্রো-শের শিকার সামিয়া রহমান এখন মৃ–ত্যু শ–য্যায়

জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপিকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিয়া রহমানের পিতা কাজী মাহমুদুর রহমান তার ফেসবুক ওয়ালে প্রায় দশ ঘণ্টা পূর্বে একটি পোস্ট দেন। আমাদেরসময়.কমের পাঠকদের জন্য পোস্টটি নিচে দেওয়া হলো :

সবার অবগতির জন্যে জানাচ্ছি যে আমার কন্যা সামিয়া রহমানকে তার নামে মুদ্রিত নিবন্ধে ফুকোর বক্তব্যের কিছু অংশ প্লেগারিজমের দায়ে অভিযুক্ত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন সাদেকা হালিমের সিন্ডিকেট চক্রটি তার পদাবনতি ঘটিয়েছে। অথচ বিতর্কিত এই নিবন্ধটি সামিয়া লেখেনি, সে তাতে স্বাক্ষর করেনি এবং নিজেও জমা দেয়নি।

সামিয়ার নামে এই কাজটি করেছিল ষ-ড়য–ন্ত্রী-দের পক্ষে ক্রিমিনোলজির সহকারী অধ্যাপক মারজান। বিষয়টি সামিয়া রহমান পরে জানার পর সে এর তীব্র প্রতিবাদ জানায় এবং নিবন্ধটি যে সে লেখেনি সে বিষয়ে তার সকল প্রমাণ পত্র পেশ করে। কিন্তু ভিসি আক্তারুজ্জামান ও ডিন সাদেকা হালিম তার সকল প্রমাণ পত্র উপেক্ষা করে।

কারণ পূর্ব থেকেই তারা সামিয়ার প্রতি বিরূপ ও -হিং-সা-পরায়–ণ ছিল। তারা ক্ষমতায় আসার পর সামিয়াকে শাস্তি দিতে মারজানকে দাবার ঘুটি হিসাবে ব্যবহার করে এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। গত তিন বছর যাবত ভিসি আক্তারুজ্জামান ও ডিন সাদেকা হালিম বিভিন্ন সময়ে সামিয়াকে চূড়ান্ত ভাবে অপমানিত ও বিপর্যস্ত করেছে। ট্রাইবুনালের পর্যবেক্ষণ ও অন্যান্য অধ্যাপকদের মতামত উপেক্ষা করে তারা বিচারের নামে প্রহসন করে সামিয়াকে পদাবনতি করে সহকারী অধ্যাপক করেছে এবং তাদের ষ-ড়-য-ন্ত্রের দাবার ঘুটি মার-জা-নকে পুরস্কার স্বরূপ পূর্বেই স্কলারশিপ দিয়ে আমেরিকায় পাঠিয়ে দিয়েছে ।

ভিসি আক্তারুজ্জামান ও ডিন সাদেকা হালিমের ব্যক্তিগত আ-ক্রো-শে-র শি–কার নি-র্যা-তিত সামিয়া রহমান কয়েকবার আ-ত্মহত্যা–র চেষ্টা করেছে। কিন্তু আমাদের ও তার স্বামী ও সন্তানদের কড়া পাহারায় তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। কিন্তু এখন আমাদের পক্ষেও তাকে এ ভাবে বাঁচিয়ে রাখা আর সম্ভব হচ্ছে না।

সামিয়া বলতে গেলে এখন মৃত্যু শ-য্যা-য়। আশংকা করছি শীঘ্রই আমাদের অ-জ্ঞাতে সে হয়তো মৃত্যু-কেই বরন করে নেবে। ডাক্তার বলেছেন মানসিক বিপর্যয়ে তার শারীরিক অবস্থা গভীর সংকটে। লাংস অত্যন্ত দুর্বল , অ-ক্সিজেন লেভেল এখন একাত্তরে।বেঁচে থাকার জন্যে নুন্যতম প্রয়োজন নব্বই। আমাদের সতর্ক-তা সত্ত্বেও অনকাংখিত তার এই দুঃখজনক মৃ-ত্যু যদি ঘটে তার জন্যে একমাত্র দায়ী ভিসি আক্তারুজ্জামান ও ডিন সাদেকা হালিম ।

তার মৃত্যু ঘটলে আমরা কারো দোয়া বা সহানুভূতি চাই না। কারণ আপনাদের অধিকাংশই ইতোমধ্যে সামিয়ার চ-রি-ত্র হন-নে বিপুল উৎসাহ, আনন্দ পেয়েছেন। বাংগালি জাতির চরিত্রে এটাই স্বাভাবিক।তবে সামিয়ার অকাল মৃত্যু ঘটলে এর জন্যে দায়ী ভিসিআক্তারুজ্জামান ও তার ডিন সাদেকা হালিমকে আমরা রেহাই দেব না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *