দ্বিতীয় ম্যাচেও করুণ দশা বাংলাদেশের লিজেন্ডদের

প্রথম ম্যাচে ভারত লিজেন্ডসের কাছে রীতিমতো উড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ লিজেন্ডস। দ্বিতীয় ম্যাচে কিছুটা উন্নতি হয়েছে পারফরম্যান্সে। লড়াই হয়নি তাতেও। হতশ্রী ব্যাটিং, দুর্বল বোলিং-ফিল্ডিং প্রদর্শনীতে ইংল্যান্ড লিজেন্ডসের বিপক্ষেও হতাশার আরেক ম্যাচ পার করেছে বাংলাদেশের সাবেকরা।

রোববার ভারতের রায়পুরে রোড সেফটি ওয়ার্ল্ড সিরিজ টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ড লিজেন্ডসের বিপক্ষে মোহাম্মদ রফিকের দল হেরেছে ৭ উইকেটে।

আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলেছিল কেবল ১১৩ রান। কেভিন পিটারসেন আর ফিল মাস্টার্ডের তাণ্ডবে ৩৬ বল আগেই তা পেরিয়ে জিতেছে ইংল্যান্ডের সাবেকরা।

আগের ম্যাচে টস জিতে নিজেরা ব্যাটিং নিয়েছিল। এদিন টস হেরেও ব্যাটিং পায় বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে শুরুটা হয়েছিল দারুণ। মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিন তুলেছিলেন ঝড়। এবার তিনি ফিরেছেন অল্প রানে। শুরুতেই তাই ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশের ব্যাটিং।

জাভেদ ওমর, নাফিস ইকবাল, রাজিন সালেহদের কেউ দুই অঙ্কে যেতে পারেনি। হান্নান সরকার এক চারে দুই অঙ্কে গিয়েই বিদায় নেন। কিপার খালেদ মাসুদের সঙ্গে মুশফিকুর রহমান বাবুর জুটি বেশ জমে গিয়েছিল। তবে টি-টোয়েন্টির চাহিদা মেটাতে পারছিলেন না তারা। বাবু প্রতিপক্ষের বাজে ফিল্ডিংয়ে কিছু রান পেয়ে গেলেও মাসুদ ছিলেন জড়সড়। ফলে উইকেট হাতে থাকলেও ঝড় তোলা হয়নি বাংলাদেশের। মাসুদ ৩৯ বল খেলে ৩১ রান করে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। ওটাই দলের সর্বোচ্চ। বাবু অপরাজিত ছিলেন ২৬ বলে ৩০ রানে।

অল্প লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই তাণ্ডব দেখান মাস্টার্ড। ১৬ বলে ২৭ করে আলমগীর কবিরের বলে ক্যাচ দেন তিনি। তবে মোহাম্মদ শরিফের বলে তাকে আরও আগে আউটের সুযোগ হাতছাড়া হয় বাবুর ব্যর্থতায়। মাস্টার্ডের সঙ্গে ওপেন করতে নামা ইংল্যান্ড লিজেন্ডসের দলনেতা পিটারসেন ১৮ বলেই করে যান ৪২ রান। তাকে ও ক্রিস স্কোফিল্ডকে আউট করেন রফিক। ভালো বল করেছেন আব্দুর রাজ্জাকও।

কিন্তু অল্প পুঁজি নিয়ে তাদের করার ছিল সামান্য। প্রতিপক্ষের ৩ উইকেট নেওয়াই যেন সাবেকদের সান্ত্বনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *