জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বিশ্রাম দিয়ে খেলানো হবে ক্রিকেটারদের

টানা ক্রিকেটীয় ব্যস্ততায় সময় কাটছে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের। সাথে ঘরোয়া লিগও সরব। তবে করোনা পরবর্তী বায়ো-বাবলে থেকে খেলতে হচ্ছে বলে মানসিক অবসাদে পড়াটা স্বাভাবিকই। আর সে কারণেই আসন্ন জিম্ববাবুয়ে সফরের দল গঠনে ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দিয়ে খেলানোর চিন্তা নির্বাচকদের।

করোনা পরবর্তী দুইটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হোম সিরিজ, নিউজিল্যান্ড সফর, শ্রীলঙ্কা সফরের পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজ। বর্তমানে চলছে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল)। ডিপিএল শেষ করেই জিম্ববাবুয়ের বিমানে উঠবে বাংলাদেশ দল। যার সবই বায়ো-বাবলে থেকে খেলতে হচ্ছে।

জিম্বাবুয়ে সফরে একটি টেস্টের সাথে থাকছে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি। এক মাসের এই সফরে ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দিয়ে খেলানোর পক্ষে নির্বাচকরা। গত এক বছরে বিশ্বের সব ক্রিকেট দলকেই প্রায় একই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। বায়ো-বাবলে ক্লান্তি ভর করার কথা বিশ্ব ক্রিকেটের তারকারাও প্রকাশ্যে জানাচ্ছে নিয়মিতই।

টাইগার ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রেও এ দিকটি বেশ গুরুত্বের সাথে নিচ্ছে জাতীয় দলের নির্বাচকরা। শনিবার (৫ জুন) নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এমন আভাসই দিলেন।

তিনি বলেন, ‘অবশ্যই ভাবছি আমরা (বিশ্রাম দিয়ে খেলানো)। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল এখন বায়ো-বাবলে থাকা। যারা জাতীয় দলে রেগুলার তাদের কথা একটু মনযোগ দিয়ে চিন্তা করেন তারা কতদিন বাইরে। হিসেব করে দেখেন আসলেই কঠিন। আমরা শুধু পারফরম্যান্স দেখতে চেষ্টা করি। কিন্তু এটাও বিবেচনায় রাখা উচিৎ।’

‘যারা ক্রিকেট নিয়ে কথা বলে তাদের এসব হিসেব করা উচিৎ। কারণ খুবই স্বাভাবিকভাবে এরকম একটা চিন্তা করা হচ্ছে যেন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিশ্রাম দেয়া, আরেকটা জিনিস হল বোর্ড যদি অ্যালাউ করে ফ্যামিলি এক সাথে থাকা।’

এদিকে কোনো নির্দিষ্ট ক্রিকেটার ছুটি চাইলে তাকে দেয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নে রাজ্জাক জানালেন বিবেচনার বিষয়টা একান্তই বোর্ডের। রাজ্জাক অবশ্য বলছেন নিজেদের মাটিতে জিম্বাবুয়ে কখনোই সহজ প্রতিপক্ষ নয়।

‘প্রথমত জিম্বাবুয়ের মাটিতে জিম্বাবুয়ে সহজ প্রতিপক্ষ না, বাংলাদেশের মাটিতে হলে বলতাম তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ। জিম্বাবুয়েতে জিম্বাবুয়ে কখনোই সহজ প্রতিপক্ষ না। আমি কোনভাবেই এর সাথে একমত হব না। তারপরেও আপনি যদি অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ডের কথা চিন্তা করেন তাহলে কিছুটা…।’

‘এরকম (ছুটির আবেদন) যদি আসে তখন হয়তো আমরা বিবেচনা করে দেখবো। আর এই বিবেচনার বিষয়টাও সম্পূর্ণ ক্রিকেট বোর্ডের। ক্রিকেট বোর্ড থেকেই সিদ্ধান্তটা আসবে। আমাদের ইনফর্ম করা হবে আমরা বিবেচনা করতে পারি কিনা, করলে বড় কোনো সমস্যা হবে কিনা । সেটা আমরা দেখবো যে ঐ প্লেয়ার থাকলে কি হতে পারে না থাকলে কি হতে পারে।’

‘আমার জানামতে, আমি এখনো জানিনা কেউ বলছে যে আমি থাকতে পারবোনা। এখনো কেউ বলেনি। বললে অবশ্যই…’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *